‘শ্রাবণ মেঘের দিন’ ছবিটি ২৪তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছে

সাইন্স ফিকশানের সাথে থ্রিলার আছে এমন মুভি কে না পছন্দ করে। এই মুভিটার প্লট হলো এলিয়েন বা দ্বিতীয় প্রাণের অস্তিত্ব অনুসন্ধানে একদল অভিযাত্রীদের বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান নিয়ে নির্মিত। একদল বিজ্ঞানী হঠাৎ খুজে পায় প্রাণের অস্তিত্ব। এই সাফল্যে সকলে আত্মহারা।

আর যে প্রাণীটার আবিষ্কার সেটা ধীরে ধীরে বড় হতে শুরু করে যা সত্যিই ছোট একটা (পেট) পোষা প্রাণীর মতই কিউট বলে মনে হয় সকলের। তবে এর পরিনতি যে অবশেষে কি হতে চলেছিল তা কারোরই জানা ছিলো না।

মুভিটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এক পলকে শেষ করে দেওয়ার মত। যারা স্পেস মুভি, এলিয়েন মুভি ও সায়েন্স ফিকশান মুভি পছন্দ করেন তাদের কাছে সত্যি অসাধারণ একটা মুভি হবে বলে আশা করছি।

অসাধারণ একটা মুভি হবে বলে আশা করছি

মুভিটার আসল কতৃত্ব হলো আপনাকে নিয়ে যাবে মুভির চরম পর্যায়ে। কিউটনেশ থেকে ভয়ের সর্ব শেষ পর্যায়ের আবির্ভাব থেকে প্রায় অনেক কিছুরেই মিশ্রন ঘটেছে মুভিতে। কিছু কিছু মুভি আছে যা শুরু কখন হলো আর শেষ কখন হলো বোঝার উপায় থাকে না।

  • Life (2017)
  • Language: English (American)
  • Imdb : 6.6
  • Personal Rating: 8.9
  • Category: Science Fiction (Space & Alien)
  • Run Time: 1h 44min.

আর শেষ হলেও মনে হয় আর একটু যদি থাকত, আর একটু যদি দেখতে পারতাম। এটিও তার মধে একটা। এটা অন্তত আমার নিজস্ব মতামত জানালাম। অতপর আই.এম.ডি.বি রেটিং অতটাও ভালো না। কিন্তু সব মুভি আই.এম.ডি.বি দিয়ে বিবেচনা করা মুশকিল।

ডিভিডি বিক্রি করে ২৫ মিলিয়ন ডলার আয় করে মুভিটি!

আর আমি সত্যিই অনেক অবাক হয়েছি যে এই পেইজে এখন পর্যন্ত কেউ এই মুভিটার কোন রিভিউ দেয়নি। আর আমার রিভিউ দিতে মন চাইলেও দেওয়া হয় না, কারন কোন মুভি রিভিউ দেব?? যেসব মুভি দেখেছি তার প্রায় 95% মুভির রিভিউ অলরেডি দেয়া আছে।

উল্টো আমি অন্যদের রিভিউ দেখে মুভি দেখি। অবশেষে বলব, এই পেইজটা আমাকে অনেক হেল্প করেছে কিছু ইউনিক ইউনিক মুভি আর সিরিজের নাম উপহার দিয়ে। বিঃদ্রঃ এটা আমার প্রথম রিভিউ। ভুল ত্রুটি হলে সকলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন আশা করি।

ব্যক্তিগতভাবে মুভিটা আমার কাছে ভালোই লেগেছে

পংকজ থ্রিপাঠি মানে যে সুন্দর সাবলীল এবং মনমুগ্ধকর একটা অভিনয় দেখা যাবে এটা আমাদের সবার জানা…এই সিনেমাতেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি..সোজা কথায় বলতে গেলে মুভিটায় তার একদম সোলো প্রেজেন্টেশন দেখা গেছে.. অর্থ্যাৎ একাই টেনে নিয়ে গেছেন মুভিটা ♥️

ভারতে হতদরিদ্রদেরকে কাগজে মৃত ঘোষণা করে তাদের সম্পত্তি আপনজনেরা ছিনিয়ে নিয়ে ভোগ করার যে একটা রীতি আগে প্রচলিত ছিল সেটাই এই মুভির মূল প্লট…কিভাবে লাল বিহারি অরফে পংকজ থ্রিপাঠি যাকে তার আত্মীয়রা মিলে সশরীরে জীবিত থাকলেও কাগজে মৃত ঘোষণা করে দেয় এবং সেখান থেকে দীর্ঘ

১২বছর এর বিরুদ্ধে লড়াই করে নিজেকে জীবিত প্রমান করতে পারেন কিনা এটাই মুভির মূল টুইস্ট 💥 গতানুগতিক অ্যাকশন ক্রাইম এর থেকে একটু ভিন্ন ফ্লেভারের মুভি এটা যেটা কারো কারো ভালো লাগবে কারো কারো ভালো নাও লাগতে পারে…

-কান্দস ক্যান?
-চক্ষে কাজল দিব তাই চোখ পরিস্কার করতেছি।

কি অসাধারণ কথা! অমর সৃস্টি! কি নেই এই ছবিতে?বাংগালী জাতির সম্পূর্ণ জীবন কাহিনি এখানে উপস্থাপন করা হয়েছে।খাবারের অভাব,মায়ের প্রসব যন্ত্রণা,মানুষে মানুষে ভেদাভেদ,প্রেম,বিরহ,গান আরও অনেক কিছু। একটা কথা হলফ করে বলতে পারি “শ্রাবণ মেঘের দিন” বাংলা ছবির ইতিহাসে এক অনবদ্য সৃস্টি।

এত সুন্দর বাস্তবতা সম্পুর্ন ছবি আর এখনকার ছবি দেখলে আফসোস হয়। হুমায়ুন আহমেদের নির্মাণ গুলো যত দেখি ততই উনার অভাব বোধ করি।উনার বিকল্প আর এই মাটিতে কখনো তৈরি হবে না।

‘শ্রাবণ মেঘের দিন’ ছবিটি ২৪তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আসরে সাতটি শাখায় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছে। 🌺অভিনয়ে – শাওন,জাহিদ হাসান,মাহফুজ,মুক্তি, ডাঃ এজাজ আরও অনেকে।

  • পরিচালনায় – হুমায়ুন আহমেদ
  • মুক্তি পায় – ১৯৯৯ সালে
  • আইএমডিবি – ৮.৫/১০

⚠️Spoiler Alert

“মতি” একজন গাতক তাকে মনে মনে ভালবাসে ঐ গ্রামেরই একটি মেয়ে “কুসুম”। তার গানের গলাও খুব ভাল, সে সবসময় ভাবে মতি মিয়াকে নিয়ে একটা গানের দল করে দেশে দেশে ঘুরে বেড়াবে।

কিন্তু ঢাকা থেকে আসা ঐ গ্রামের জমিদার নাতনি “শাহানা”কে ভালবাসে মতি, তবে জানেনা শাহানা তাকে একজন ভাল মানুষ হিসেবে মুল্যায়ন করে মাত্র। এদিকে কুসুমের বাবা উজান থেকে একটি ছেলে “সুরুজ”কে নিয়ে আসে কুসুমের সথে বিয়ে দেয়ার জন্য।

ঐ গ্রামের বাসিন্দা “পরান” এর স্ত্রী প্রসব বেদনায় ছটফট করছিল

জমিদারের নাতনি শাহানা একজন ডাক্তার, এই ভেবে মতি মিয়া তাকে ডেকে আনে। শাহানা এসে বুঝতে পারে উনার পেটের বাচ্চা উল্টে আছে। সে বইতে পড়েছে এর চিকিৎসার ব্যাপারে কিন্তু বাস্তবে কখনো করেনি, তবুও কোন উপায় না দেখে সাহস করে সেই সন্তান স্বাভাবিক ভাবে ডেলিভারি করাতে সক্ষম হয়।

এবং যে জমিদারকে এলাকার সবাই ঘৃনার চোখে দেখত তারা সবাই এখন তাকে সম্মান করে। একদিকে কুসুমের বিয়ের আয়োজন চলছে অন্যদিকে জমিদারের নাতনিরা ঢাকায় ফিরে যাচ্ছে জমিদার সহ।

যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি মিলিটারীদের বিভিন্ন ভাবে সহায়তা করেছিল, তাই গ্রামের সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে তার জমিদার বাড়ি একটি হাসপাতালের জন্য দান করে বিদায় নেয়, আর তাই গ্রামের প্রাই সবাই চলে আসে তাদের বিদায় জানাতে।

কুসুম বাড়িতে একা মতিকে না পাওয়ার কষ্টে সে বিষ পান করে, কুসুমের মা টের পেয়ে সবাইকে ডাকে এবং তাকে নিয়ে মতি আর সুরুজ নৌকায় ছোটে ডাক্তার শাহানাকে ধরতে, কিন্তু মাঝপথেই সোয়া চান পাখি চিরনিদ্রায় শায়ীত হয়।

-আর মতি গাতক গেয়ে উঠে শুয়া চান পাখি আমি ডাকিতাছি তুমি ঘুমাইছো নাকি…।

-কান্দস ক্যান?

-চক্ষে কাজল দিব তাই চোখ পরিস্কার করতেছি।

কি অসাধারণ কথা! অমর সৃস্টি!

কি নেই এই ছবিতে?বাংগালী জাতির সম্পূর্ণ জীবন কাহিনি এখানে উপস্থাপন করা হয়েছে।খাবারের অভাব,মায়ের প্রসব যন্ত্রণা,মানুষে মানুষে ।ভেদাভেদ,প্রেম,বিরহ,গান আরও অনেক কিছু। একটা কথা হলফ করে বলতে পারি “শ্রাবণ মেঘের দিন” বাংলা ছবির ইতিহাসে এক অনবদ্য সৃস্টি। এত সুন্দর বাস্তবতা সম্পুর্ন ছবি আর এখনকার ছবি দেখলে আফসোস হয়।

শুরুতেই বলে রাখতে চাই, যাদের হার্ট দুর্বল তাদের এই মুভি না দেখাই উত্তম

হুমায়ুন আহমেদের নির্মাণ গুলো যত দেখি ততই উনার অভাব বোধ করি।উনার বিকল্প আর এই মাটিতে কখনো তৈরি হবে না। ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’ ছবিটি ২৪তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আসরে সাতটি শাখায় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছে। 🌺অভিনয়ে – শাওন,জাহিদ হাসান,মাহফুজ,মুক্তি, ডাঃ এজাজ আরও অনেকে।

  • পরিচালনায় – হুমায়ুন আহমেদ
  • মুক্তি পায় – ১৯৯৯ সালে
  • আইএমডিবি – ৮.৫/১০

⚠️Spoiler Alert
“মতি” একজন গাতক তাকে মনে মনে ভালবাসে ঐ গ্রামেরই একটি মেয়ে “কুসুম”। তার গানের গলাও খুব ভাল, সে সবসময় ভাবে মতি মিয়াকে নিয়ে একটা গানের দল করে দেশে দেশে ঘুরে বেড়াবে।

কিন্তু ঢাকা থেকে আসা ঐ গ্রামের জমিদার নাতনি “শাহানা”কে ভালবাসে মতি, তবে জানেনা শাহানা তাকে একজন ভাল মানুষ হিসেবে মুল্যায়ন করে মাত্র। এদিকে কুসুমের বাবা উজান থেকে একটি ছেলে “সুরুজ”কে নিয়ে আসে কুসুমের সথে বিয়ে দেয়ার জন্য।

ঐ গ্রামের বাসিন্দা “পরান” এর স্ত্রী প্রসব বেদনায় ছটফট করছিল। জমিদারের নাতনি শাহানা একজন ডাক্তার, এই ভেবে মতি মিয়া তাকে ডেকে আনে। শাহানা এসে বুঝতে পারে উনার পেটের বাচ্চা উল্টে আছে।

সে বইতে পড়েছে এর চিকিৎসার ব্যাপারে কিন্তু বাস্তবে কখনো করেনি, তবুও কোন উপায় না দেখে সাহস করে সেই সন্তান স্বাভাবিক ভাবে ডেলিভারি করাতে সক্ষম হয়। এবং যে জমিদারকে এলাকার সবাই ঘৃনার চোখে দেখত তারা সবাই এখন তাকে সম্মান করে।

Prison Break দেখুন, ধারণা পাল্টান!

একদিকে কুসুমের বিয়ের আয়োজন চলছে অন্যদিকে জমিদারের নাতনিরা ঢাকায় ফিরে যাচ্ছে জমিদার সহ। যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি মিলিটারীদের বিভিন্ন ভাবে সহায়তা করেছিল, তাই গ্রামের সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে তার জমিদার বাড়ি একটি হাসপাতালের জন্য দান করে বিদায় নেয়, আর তাই গ্রামের প্রাই সবাই চলে আসে তাদের বিদায় জানাতে।

কুসুম বাড়িতে একা মতিকে না পাওয়ার কষ্টে সে বিষ পান করে, কুসুমের মা টের পেয়ে সবাইকে ডাকে এবং তাকে নিয়ে মতি আর সুরুজ নৌকায় ছোটে ডাক্তার শাহানাকে ধরতে, কিন্তু মাঝপথেই সোয়া চান পাখি চিরনিদ্রায় শায়ীত হয়।

–আর মতি গাতক গেয়ে উঠে শুয়া চান পাখি আমি ডাকিতাছি তুমি ঘুমাইছো নাকি…।

Leave a Reply